সাংসদপদে ইস্তফা দিলেন বাবুল সুপ্রিয়, আসানসোল উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা

সাংসদপদে ইস্তফা দিলেন বাবুল সুপ্রিয়, আসানসোল উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা

আরোহী নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় । এ দিন সকালে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে ইস্তফা দিলেন তিনি।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর দিন বিস্তারিত মন্তব্যে জানান, খেলার সুযোগ না পেয়েই বিজেপি ছেড়েছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে সাংসদ পদ ছেড়ে দেবেন। তবে লোকসভার স্পিকারের কাছে সময় চেয়েও পাননি বলে দাবি করেন তিনি। যা নিয়ে একপ্রস্থ জলঘোলাও হয়।

বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়, বাবুল সুপ্রিয়র বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও স্পিকার সময় দিচ্ছেন না। তবে লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, এই সময় চাওয়ার খবর ভিত্তিহীন। এ দিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ স্পিকারের বাড়িতে পৌঁছন বাবুল।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময় বাবুল জানিয়েছিলেন যে তিনি যাঁদের টিকিটে নির্বাচিত, সেই দল ছেড়ে অন্য দলে গেলে পুরনো দলের সাংসদ পদ আঁকড়ে ধরে রাখা ‘অনৈতিক’ কাজ হবে। সে কারণেই নিজের সাংসদ পদ ছেড়ে দেবেন আসানসোলের বর্তমান সাংসদ। এ দিন তাঁর ইস্তফার সঙ্গেই জনপ্রতিনিধি হারাল আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র। বাবুল সাংসদ পদ ছাড়ায় আসানসোলের এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে কিছুদিনের মধ্যেই।

বুধবার একটি টুইটে এ বিষয়ে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করেছেন বাবুল। লেখেন, “…আমি আর বিজেপির অংশ নই, যে বিজেপির জন্য আমি একটি আসনে জয়লাভ করেছিলাম। আমার মধ্যে যদি কিছু থেকে থাকে তবে আমি আবার জয়লাভ করব”। স্বাভাবিক ভাবে এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল তাঁকেই প্রার্থী করে কি না, সেটাই এখন দেখার!

প্রসঙ্গত, ২০১৪-তে লোকসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে আসানসোল থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন বাবুল। এর পর ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জেতেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন দু’বার। তবে গত আগস্টে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভা থেকে ছাঁটাই হতেই দলবদলের কড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।