সঙ্কটে বিদ্যুৎ উৎপাদন

সঙ্কটে বিদ্যুৎ উৎপাদন

আরোহী নিউজ ডেস্ক: পুরো বিশ্ব এই সময়ে কয়লা সঙ্কটে অস্থির। কয়লা সঙ্কটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন খারাপভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুত মহামারীর মতো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে, যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে কাটাতে হচ্ছে। গুজরাত, পঞ্জাব, রাজস্থান, দিল্লি, তামিলনাড়ুতে বেশ কিছুদিন ধরেই কয়লা নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল চিঠি দিয়ে আগাম সঙ্কটের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

পঞ্জাবপ্রদেশে ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ সরবারহ ব্যহত হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমানে কয়লা সাপ্লাই থাকার পরেও বিদ্যুৎ সঙ্কট কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে পর্যাপ্ত বিদ্যুত সরবারহের কথা জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে বেশ কিছু কয়লা খনির কাজ ব্যহত হলেও কয়লা সরবারহে যেন ব্যাঘাত না ঘটে সেই বিষয়টিও বিশেষভাবে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দিল্লিতে যেমন অক্সিজেন সরবারহের খামতি দেখা দিয়েছিল তেমনই দ্বায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে কয়লা সরবারহ বন্ধ করে দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় কয়লামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, অতিবৃষ্টিতে কয়লা সরবারহ ব্যহত হওয়ার আরেকটি কারণ হল পৃথিবীব্যাপি কয়লার দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়া। তিনি আরও বলেন, কোনও পরিস্থিতিতেই বিদ্যুৎ সরবারহ ব্যহত করা হচ্ছে না। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে কয়লার সরবারহ এবং ডেসপ্যাচের বিষয় খেয়াল রাখা হয়েছে। বেশ কয়েকদিনে মহারাষ্ট্রে ১৩ টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ হয়েছে। মহারাষ্ট্র প্রশাসনের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ৬ থেকে ৮ ঘন্টার মতো বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে।