‘বয়কট’ ট্রেন্ডে পরিচালক সব্যসাচী হালদার

‘বয়কট’ ট্রেন্ডে পরিচালক সব্যসাচী হালদার
cinema poster

‘বয়কট’ ট্রেন্ডে পরিচালক সব্যসাচী হালদার। বয়কট এই মুহুর্তে ভারত জুড়ে একটি অত্যন্ত প্রবণতাপূর্ণ বিষয়। বলিউড বা টলিউড সবেতেই এই ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন দর্শক মহলের একাংশ। কখনও বয়কটের মুখে কোন সেলিব্রেটি আবার কখনও বয়কট করা হচ্ছে কোন সিনেমাকে। স্টার-কিড, স্বজনপ্রীতি বা নেপোটিজম এসব নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই।

বয়কট ও বিতর্কের বাস্তব প্রেক্ষাপট নিয়েই তৈরী হচ্ছে নতুন বাংলা সিনেমা। সব্যসাচী হালদারের হাত ধরে বাস্তব গল্প বলবে ‘বয়কট’। এর আগে 'তোতা কাহিনী' নামক ধারাবাহিক ও 'যোগসূত্র', 'দ্য ফ্রুট অফ এভিল' ওয়েব সিরিজে সহ পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন সব্যসাচী। 'বয়কট' তাঁর স্বাধীন পরিচালনায় প্রথম ফিচার ছবি।

কোন সিনেমা ভালো, কোন সিনেমা খারাপ তা নিয়ে প্রত্যেকেরই নিজস্ব মতামত আছে। একটি সিনেমা তৈরি করতে শ্রম এবং টাকা দুটোই লাগে। কোনও সিনেমা বয়কট করা হলে নির্মাতা সহ কলা কুশলীরা সমস্যায় পড়েন। ‘বয়কট’ সিনেমাটি তাঁদের সমস্যার কথা বলবে। পাশাপাশি  করোনা মহামারীর সময়ে সিনেমাজগতের সাথে জড়িত প্রত্যেকটি কলাকুশলীদের শোচনীয় অবস্থার কথা বলবে এই ছবি।

অভীক এক বিখ্যাত চিত্রনাট্যকারের ছেলে। কলকাতার এক বিখ্যাত ফিল্ম ইনস্টিটিউটের এক উজ্জ্বল ছাত্র সে। সম্প্রতি কোনও এক ঘটনায় নেপোটিজম অর্থাৎ স্বজনপোষণ নিয়ে বেশ চর্চা হয়। সেই বিতর্ক খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব ফেলে অভীকের জীবনেও। প্রায় সমস্ত জায়গা থেকেই তার নাম বাতিল হয়ে যায় কারণ তার বাবা বিখ্যাত। কিন্তু অভীকও একজন পরিচালক হয়ে উঠতে চায়। ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কাজের আশায় প্রযোজকদের দ্বারে দ্বারে ঘোরার সময়েই বাস্তব বুঝতে পারে সে। সেই পরিস্থিতি থেকেই কিভাবে ফিরে, লড়াই করে তাঁর জীবন যুদ্ধে নামে । আদেও কি এই বিতর্কের আঁচ থেকে সে বেরোতে পারে ? এই প্রেক্ষাপটেই এগোয় বয়কটের গল্প।

যদিও এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক হতে পারে, এতে বাস্তব সত্যের অনেক রূপক রয়েছে। ছবিটিতে গান গেয়েছেন সুমন চ্যাটার্জি এবং এডিট করেছেন রাহুল চ্যাট্টার্জী।