হরিদেবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু, দফতরের সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব বিদ্যুৎমন্ত্রীর

ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরে ৪১ পল্লীর কাছে

হরিদেবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু, দফতরের সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব বিদ্যুৎমন্ত্রীর
প্রতীকী ছবি

আরোহী নিউজ ডেস্ক:ফের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক কিশোরের। ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরে ৪১ পল্লীর কাছে। সেখানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১২ বছরের নীতিশ যাদবের। এরপর ওই কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। শিক্ষকের বাড়িতে প্রসাদ দিতে যাওয়ার সময়েই শিক্ষকের বাড়ির সামনেই  রাস্তার জমা জলের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়ে পাশের ল্যাম্পপোস্টে হাত দেওয়া মাত্রই জমা জলে লুটিয়ে পড়ে ছেলেটি। বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

 ওই কিশোরের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে বিদ্যুৎমন্ত্রী। সোমবার এই ঘটনায় তদন্তের যথোপযুক্ত তদন্তের নির্দেশও দেন তিনি। ইতিমধ্যেই হরিদেবপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সিইএসসি, কেএমসি ও রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের ইঞ্জিনিয়াররা। তাঁরা রিপোর্ট দেবেন মেয়র এবং পুর কমিশনারকে। পাশাপাশি, হরিদেবপুরের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কলকাতা পুরসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে শহরের সমস্ত বিদ্যুতের খুঁটিগুলি পরীক্ষা করে দেখা হবে। বর্ষার মরশুমে শহর জুড়ে আর ত্রিফলা জ্বলবে না।

প্রসঙ্গত, হরিদেবপুর কাণ্ডে দায় চাপানোর খেলা চলছে পুরসভা ও বিএসএনএলের মধ্যে। আলো বিভাগ বলছে, "ওই পোস্ট আমাদের নয়। বিএসএনএল-এর। আলো কারা লাগিয়েছে তা খোঁজ করা হচ্ছে।" যদিও স্থানীয় কাউন্সিলর বলছেন, আলো লাগিয়েছে পুরসভা-ই। সেই প্রশ্নের উত্তরে আলো বিভাগের দাবি, কলকাতা পুরসভার সমস্ত আলোতে টাইমার লাগানো। সন্ধে ৬ টার আগে কোনওভাবেই আলো জ্বলার কথা নয়। আলো না জ্বললে তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকার কথা নয়। কিন্তু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সন্ধে ৬ টার আগে। ওদিকে, এই চাঞ্চল্যকর দাবি বিএসএনএলের।

সংস্থার চিফ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিষ সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য, "পোল আমাদের ছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ দিতে আমরা বলিনি। আমাদের দায়িত্ব নয়। আমরা পাওয়ার দিই না। তদন্ত হলে তথ্য চাইব। কলকাতায় এমন ১৫ লক্ষ কানেকশন ছিল। এখন অনেক কমে গেছে। কিছু পোল রাখতেই হয়। কিন্তু পাওয়ার লাগাতে দেওয়া হয় না। আমরা এমন অনুমতি দিই না। আর কেউ অনুমতি নেয়ওনি।"