এবারের পুজোর গন্তব্য হোক এই জঙলা পাহাড়ের  নিঝুম লুনসেল 

এবারের পুজোর গন্তব্য হোক এই জঙলা পাহাড়ের  নিঝুম লুনসেল 

করোনার প্রকোপে ঘরবন্দী ছিল মানুষ। তবে এবার স্বাভাবিকের ছন্দে ফিরছে পৃথিবী। তাই ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা বেরিয়ে পড়েছেন, বুক ভরে শ্বাস নিতে।পাহাড়, সমুদ্র কিংবা কেউ কেউ জঙ্গলের অজানা সৌন্দর্য্য খুঁজে নিতে বেরিয়ে পড়েছেন। তাই আপনি যদি ঘুরতে পছন্দ করেন আপনার জন্য রইলো এক নিঝুম পাহাড়ের ঠিকানা। 

চারিদিক পাহাড়ে ঘেরা একটা ছোট্ট গ্রাম। সবুজের মাঝে সেই পাহাড় থেকে বয়ে আসছে ঝর্ণার জল। কিছুটা পথ গেলেই শেষ পিচের রাস্তা। এক অপরূপ সৌন্দর্য্য থাকবে আপনার জন্য। মালবাজার থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে কালিম্পং জেলার গরুবাথান ব্লকের উঁচু এলাকায় রয়েছে এমনই এক ঠিকানা। ছোট এই গ্রামের নাম লুনসেল। পুজোয় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান থাকলে শান্ত-স্নিগ্ধ এই জায়গাটিকে বেছে নিতেই পারেন।

লুনসেল রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, দেখা মেলে হরেকরকম পাখিরও। ছোট্ট এই গ্রামটি ঘোরা হয়ে গেলে গাড়ি নিয়ে কাছের লাভা, লোলেগাঁও, ঝান্ডিতেও ঢুঁ মারতে পারেন। পাহাড় প্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য লুনসেল।

লুনসেলে এখনো পর্যটকদের ভীড় তেমন নেই। কারণ খুব অফবিট প্লেস এই গ্রাম। গুটিকয় মানুষের বাস। এমনকি কিছু দূরে পিচের রাস্তাও শেষ হয়ে যায়। কোনও গাড়ি যাওয়ার পথ নেই। তবে সেখান থেকে হেঁটে বা ট্রেকিং করে অন্য পাহাড়ি গ্রাম কিংবা পাহাড়ের অন্য প্রান্তে অনায়াসে পাড়ি দেওয়া যেতে পারে। ডুয়ার্সের সমস্ত নদনদীর পাশাপাশি লুনসেল থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তও দেখা যায় মন ভরে।


কীভাবে যাওয়া যাবে : 

নিউমাল জংশন স্টেশন থেকে গাড়ি করে পৌঁছতে হয় এই জঙলা পাহাড়ে। মালবাজার, ওদলাবাড়ি, পাথরঝোড়া-মানজিং হয়ে যাওয়া যায় লুনসেলে। আবার গরুবাথান হয়েও পৌঁছনো যায় পাহাড়ে ঘেরা ছোট্ট গ্রামটিতে। বর্তমানে সরকারি কোনও লজ বা হোটেল নেই ঠিকই। তবে একটি বড় হোমস্টে রয়েছে। তাই আগেভাগেই বুকিং সেরে ফেললেই হল।