ডাকাতি মেসির ঘরে, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ডাকাতি মেসির ঘরে, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আরোহী নিউজ ডেস্ক: পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যাঞ্চেস্টার সিটির বিরুদ্ধে তখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে ব্যস্ত লিওনেল মেসি। আর ম্যাচ চলাকালীন ডাকাতির ঘটনা ঘটে গেল প্যারিসে মেসির ঘরে। এর পাশাপাশি বড় প্রশ্ন উঠে গেল নিরাপত্তা নিয়েও। এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বে। বিদেশি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনা মঙ্গলবার রাতের। মেসি তখন তাঁর ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন স্ত্রী আন্তনেলা সহ সন্তানরা। এই সুযোগেই লুঠ করা মেসির ঘরে। নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে চম্পট দেয় মাস্ক পরা ডাকাতের দল।

মেসি যে হোটেলে আছেন, সেখানেই ছিলেন দুবাইয়ের এক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। তিনি প্রথম হোটেলে অভিযোগ দায়ের করেন, তাঁর ঘর থেকে সোনার নেকলেস চুরি হয়ে গিয়েছে। সেই ঘটনার তদন্ত নেমে হোটেল কর্তৃপক্ষ দেখে মাস্ক পরা ডাকাত দল হোটেলের ওই রুমে ঢুকেছিলেন। মেসির ঘরে ডাকাতিও ঠিক একই পন্থায় হোটেলের ছাদ থেকে নেমে করা হয়েছে। দুটো ঘটনার সময়ই হোটেলের ঘরে সেই সময় কেউ ছিল না। তাই ডাকাতির কাজটা খুব সহজ হয়ে যায়। প্রশ্ন হল, মেসির ঘটনার আগেই যখন বড়সড় ডাকাতি হয়েছিল, তখন কেন সতর্ক হল না হোটেল কর্তৃপক্ষ তা নিয়েই থেকে যাচ্ছে একটা বড় প্রশ্ন।

এই ঘটনার পর আর কোনো ভাবেই আর এই হোটেলে থাকতে চাইছেন না মেসি ও তাঁর পরিবার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করার পাশাপাশি জনিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি মেসিকে ওই হোটেল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। শুধু তাই নয়, অত্যন্ত চাপে পড়ে গিয়েছে পিএসজির কর্তারাও। সূত্রের খবর, ৪০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের গয়না ও ১৫ হাজার ডলার নগদ অর্থ লুঠ হয়েছে মেসির হোটেলের ঘর থেকে। তদন্তের ব্যাপারে রীতিমতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে স্থানীয় পুলিশ।