নতুন ভাবে বাঁচার "আশা" আষাঢ়ে

আরোহী নিউজ ডেস্ক: শরৎ মানে বাঙালির উৎসবে মেতে ওঠার সময়। কিন্তু বিগত দুই বছর ধরে শৈশব  থেকে বার্ধক্য সকলেই বন্দি হয়েছে করোনার কাছে । বদ্ধ হওয়ার  মানসিক চাপ থেকে মুক্ত করে বাঁচার রসদ নিয়ে আসছে বাদামতলা আষাঢ় সংঘ পূজা মন্ডপ।

মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় আড়ালে তার সূর্য হাসে। সিক্ত যে প্রাণ অশ্রু ঝরায় প্রাণের প্রিয় তারই পাশে ...... কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তার "আশা" কবিতায় এভাবেই নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন।  এবার করোনা মহামারী ও  বন্দীদশার বিষাদ কাটিয়ে নতুন করে বাঁচার আশা জোগাতে সেজে উঠছে বাদামতলা আষাঢ় সংঘের মণ্ডপ ও দেবী প্রতিমা।

করোনা কেড়েছে অনেক কিছুই। জারি করেছে নানা বিধি-নিষেধ। গর্ভবতী অবস্থায় মানসিক চাপ  মানসিক বিষাদগ্রস্ত হয়ে ঘটেছে বহু অপ্রীতিকর ঘটনা। সেই চাপ অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতেই শারদীয়ার খোলা হাওয়া হয়ে আসছে বাদামতলা আষাঢ় সংঘের পুজো।

শিল্পী জানাচ্ছেন  কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও প্রাণখোলা হয়ে বাঁচার রসদ  নিয়ে আসছে বাদামতলা আষাঢ় সংঘের পুজো মণ্ডপ ও প্রতিমা। শুধু মণ্ডপসজ্জায় নয় দেবী প্রতিমার মাঝেও রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া। সঙ্গে  থিম আশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রয়েছে মুক্তির কারুকাজ যা দর্শনার্থীদের নজর কাড়ার পাশাপাশি দেবে নতুন করে ভাবার অনুপ্রেরণা এমনটাই মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তা থেকে আরম্ভ করে শিল্পী।