স্বাধীনতা সংগ্রামীরা জীবিত না থাকলেও তাঁদের পরিবার পাবেন পেনশন, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

স্বাধীনতা সংগ্রামীরা জীবিত না থাকলেও তাঁদের পরিবার পাবেন পেনশন, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

অদ্রিজা ঘোষ : কেন্দ্রীয় সরকারের পেনশন প্রকল্প ‘স্বতন্ত্রতা সৈনিক সম্মান’। যে সমস্ত স্বাধীনতা সংগ্রামী পেনশন পাননি জীবিত না থাকলেও তাঁদের পরিবারকে পেনশন দিতে হবে। এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। পেনশন দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন স্বাধীনতা সংগ্রামী নারায়ণচন্দ্র মাইতি-সহ কয়েকজন।  আগামী তিনমাসের মধ্যে তাঁদের পেনশন দিতে হবে বলে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। 

১৯৭২ সালে কেন্দ্রীয় সরকার স্বাধীনতার ২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্বদেশী আন্দোলনকারীদের জন্যে একটি পেনশন প্রকল্প আনে। স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তরা জীবিত না থাকলেও তাঁদের পরিবার পেনশন পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ১৯৮১ সালের ১৫ অগাস্ট  কেন্দ্রীয় সরকার পেনশন প্রকল্পটির নামকরণ করে ‘স্বতন্ত্রতা সৈনিক সম্মান’। 

আদালত সূত্রের খবর, স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নারায়ণচন্দ্র মাইতি পেনশনের জন্যে আবেদন করেও পেনশন পাননি। স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণপত্র হিসেবে কোনও সরকারি নথি দাখিল করতে পারেননি নারায়ণচন্দ্র মাইতি। তবে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী সুশীলকুমার ধারা লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন, নারায়ণচন্দ্র মাইতি স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পেনশন কেন্দ্রীয় সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারির কাছে ২০১৫ সালে সুশীলকুমার ধারার লেখা স্বীকৃতির চিঠিটি দাখিল করেভ। যদিও এরপরও কোনও জবাব মেলেনি। প্রসঙ্গত, ১৯৪২ সাল থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত নারায়ণচন্দ্র মাইতি আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিলেন।