রাজমিস্ত্রির কাজ ছেড়ে অবশেষে কাজ পেলেন বড় অফিসার পদে

রাজমিস্ত্রির কাজ ছেড়ে অবশেষে কাজ পেলেন বড় অফিসার পদে


 হাতেই এখন কর্নিক যে হাতে কলম ধরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মণ্ডল ইট-সিমেন্ট দিয়ে অন্যের বাড়ি গড়ছেন।

তিনি সংসার টানতে রাজমিস্ত্রির কাজ বেছে নিয়েছেন বারবার সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসেও ব্যর্থ হয়ে। হাল ছাড়েননি তিনি কখনো। নিজের ‘বায়োডেটা’ নিয়ে ইন্টারভিউ দিতে ছোটেন এখন বেসরকারি সংস্থায় কর্মখালির খবর পেলে।

বকুলতলার বাসিন্দা বছর সাতাশের বিশ্বজিৎ বড়শুল সিডিপি স্কুলের পিছনে একটি বাড়ি তৈরির ফাঁকে বলেন যে, ‘‘এই স্কুলেই পড়তাম। জমিজমা নেই। বাবা-মা দিনমজুরি করে আমাকে পড়ান। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগ পাই।

২০১৪ সালে মেমারি কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাম্মানিক স্নাতক, ২০১৬ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাশ করি। চাকরিতে অগ্রাধিকার পাব ভেবে কম্পিউটারের ডিপ্লোমাও করি। কিছুই কাজে লাগল না!’’

 টুনি মণ্ডল এই প্রসঙ্গে বলেন যে, বিশ্বজিৎ ছোটাবেলা থেকে যে পরিশ্রম করে আসছেন তাকে মোটেই রাজমিস্ত্রীর পদে মানায় না, তাঁকে ভালো মানাবে বড় কোনো অফিসারের চেয়ারে।