কাশ্মীর সমস্যার নিষ্পত্তি জুরুরি, শান্তির পক্ষে সওয়াল নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদের

কাশ্মীর সমস্যার নিষ্পত্তি জুরুরি, শান্তির পক্ষে সওয়াল নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদের

আরোহী নিউজ ডেস্ক:  পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কাশ্মীর ইস্যু। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে নয়াদিল্লি বারবার দাবি জানিয়ে আসা সত্ত্বেও, আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাকে ইস্যু করতে ছাড়েনি ইসলামাবাদ। ভূ-স্বর্গ নিয়ে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে দুই দেশ।  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে উঠেছে জঙ্গিদের মদতেরও। সন্ত্রাসবাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের জন্য আন্তর্জাতিক আঙিনায় বারবার দরবার করেছে ভারত। 

শাহবাজ শরিফের আগে সমস্ত পাক প্রধানমন্ত্রীই কাশ্মীর নিয়ে বাজার গরম করার খেলায় মেতেছেন। ইমরান খানকে সরিয়ে পাকিস্তানের ২৩ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শাহবাজ শরিফ। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পাশাপাশি কাশ্মীর সমস্যার জরুরি নিষ্পত্তির দাবি শুভেচ্ছাবার্তায় জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নয়াদিল্লির সাথে যে অশান্তির পথে ইসলামাবাদ হাঁটতে চায়না, তারই ইঙ্গিত দিলেন শাহবাজ। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান জরুরি বলে মনে করছেন নয়া পাক প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারত সন্ত্রাসমুক্ত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। দুই দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ ও ভারত-পাক জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য রাখা উচিত বলে ট্যুইট বার্তায় জানান প্রধানমন্ত্রী। জবাবে শাহবাজ শরিফ লেখেন, ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহবস্থান ও সহযোগিতা চাই পাকিস্তানও। জম্মু ও কাশ্মীর সহ অমীমাংসিত বিরোধেরও সমাধান চেয়েছেন শাহবাজ শরিফ। সেই সঙ্গে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মদতের যে অভিযোগ উঠেছে, তা খারিজ করেছেন নয়া পাক প্রধানমন্ত্রী। 

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের আত্মত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের মদতের অভিযোগ আর্থিক বরাদ্দ কাটছাঁট করেছে আমরিকা। মুম্বাই বিস্ফোরণ সহ ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের হাত প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিদিন জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলছে জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা। এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদে বিরুদ্ধে পাকিস্তানের  আত্মত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরে সুকৌশলে মূল সমস্যা ইসলামাবাদ জিইয়ে রাখতে চাইছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। আর এতে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।