রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা পদ থেকে ইস্তফা খাড়গের, কিসের ইঙ্গিত?

ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে

রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা পদ থেকে ইস্তফা খাড়গের, কিসের ইঙ্গিত?

আরোহী নিউজডেস্ক: রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। শনিবারই কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠালেন খাড়গে। কেন হঠাৎ ইস্তফা দিলেন খাড়গে?  ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কংগ্রেস সূত্রের খবর, অশোক গেহলত এই নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ায় পরবর্তী কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার দৌড়ে কারা রয়েছে সেই নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। কখনও উঠে আসছিল মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিংয়ের নাম, কখনও উঠে আসছিল মনীশ তেওয়ারির নাম। আবার এক সূত্রের দাবি ছিল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর কোনও নেতাকেও দেখা যেতে পারে কংগ্রেসের পরবর্তী সভাপতির দৌড়ে। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতা আনন্দ শর্মা দিল্লির রাজস্থান ভবনে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ও সভাপতি নির্বাচনের অন্যতম মুখ অশোক গেহলতের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছিল।

কিন্তু সব জল্পনায় জল ঢেলে আসন্ন কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে শশী থারুরের বিপক্ষে দাঁড়াতে চলেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। ইতিমধ্যে নির্বাচনে লড়ার জন্য মনোনয়ন পত্রও জমা করেছেন তিনি। আর  কংগ্রেসের সভাপতি পদে লড়ার জন্যই রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা পদ থেকে ইস্তফা দিলেন খাড়গে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রাজস্থানে কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে দলে "এক ব্যক্তি এক পদ " নীতি গৃহীত হয়। এই নীতির অর্থ হল কোনও নেতা দলের একটিমাত্র গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হতে পারেন। এই নীতি রাজস্থানে গৃহীত হওয়ার পর এই নীতি নিয়ে রাজস্থানেই কংগ্রেসকে রাজনৈতিক সঙ্কটে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু দলের এই ঘোষিত নীতি মেনেই রাজ্যসভার সভাপতি পদ থেকে খাড়গে ইস্তফা দিলেন।