গোকুলামের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে এএফসি অভিযান শুরু করতে চায় মোহনবাগান

গোকুলামের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে এএফসি অভিযান শুরু করতে চায় মোহনবাগান

আরোহী নিউজ ডেস্ক: এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের মোহনবাগানের তিনটি ম্যাচই এবার হবে কলকাতায়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।  বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পেয়ে গেছেন প্রবীর দশ, প্রীতম কোটালরা। এবার এটিকে মোহনবাগানের সাথে গ্রুপে আছে গতবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম কেরালা এফসি, বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের মাজিয়া এফসি। ধারে ও ভারে তিনটি দলের থেকেই এটিকে মোহনবাগান এগিয়ে থাকেলও কোনো দলকেই হালকা ভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান হেড স্যার হুয়ান ফেরান্ডো। তিনি সতর্ক। তিনটি ম্যাচেই যুবভারতীতে দর্শক থাকবে। এটা একটা বাড়তি পাওনা হুয়ানের দলের।

আগামী ১৮ই মে প্রথম ম্যাচে প্রীতম দের মুখোমুখি হবে গোকুলাম কেরালা এফসি। প্রতিপক্ষকে কোনো মতেই হালকা ভাবে নিতে রাজি নন বাগান কোচ। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এক সাক্ষাৎকারে এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা প্রস্তুত তাদের সেরাটা মাঠে তুলে ধরতে। হুগো বুমোস জানান, “আমরা আমাদের গ্রুপের বাকি তিনটি দলের থেকে ধারে ও ভারে অনেকটাই এগিয়ে, কিন্তু তা বলে প্রতিপক্ষকে হালকা ভাবে নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আমরা চ্যাম্পিয়ন হবার ব্যাপারে আশাবাদী”। জনি কাউকো বলেন, “প্রতিপক্ষকে নিয়ে ম্যাচের আগে বেশি ভাবতে চাইনা আমরা। নিজেদের প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। আমরা চ্যাম্পিয়ন হবার যোগ্যতা রাখি। প্রীতম জানান, “তিনটি দলকেই আমরা সমান গুরুত্ব সহকারে দেখছি। গোকুলাম গতবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দল, কাজেই তাদের হালকা বানর নেওয়ার কোনো মানেই হয়না। এছাড়াও, বসুন্ধরা কিংসও যথেষ্ট শক্তিশালী। তারা আগের বার আমাদের আটকে দিয়েছিল। তাই প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আমরা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল”। শুভাশীষ বোস বলেন, “আমরা চেষ্টা করবো গোল না খেয়ে ম্যাচ শেষ করার। আমরা গোল না খেলে দলে অনেক ফুটবলার আছে যারা গোল করে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখে। লিস্টন কোলাসো, মনভীর সিং, হুগো, জনি, উইলিয়ামস সবাই গোল করার ক্ষমতা রাখে। এছাড়া রয় কৃষ্ণাও ফিরে এসেছে। আর তাছাড়া যুবভারতীতে খেলা, দর্শকরা আমাদের বাড়তি অনুপ্রেরণা হবে। আমরা নেতার ব্যাপারে আশাবাদী”।