বিক্ষোভের আগুন শ্রীলঙ্কায়, প্রাণ বাঁচাতে নৌঘাঁটিতে আশ্রয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর

বিক্ষোভের আগুন শ্রীলঙ্কায়, প্রাণ বাঁচাতে নৌঘাঁটিতে আশ্রয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর

আরোহী নিউজ ডেস্ক: আর্থিক সঙ্কটে ধুঁকছে শ্রীলঙ্কা। প্রতিবাদ বিক্ষোভে উত্তাল গোটা দেশ। আগেই জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। আর্থিক পরিস্থিতি ও দলের লোকের অসন্তোষের মুখে অবশেষে সোমবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন মহিন্দা রাজাপক্ষে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। সূত্রের খবর, বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে বাঁচতে মঙ্গলবার সকালেই গোপনে সপরিবারে বাসভবন ছাড়েন পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী। আশ্রয় নেন ত্রিঙ্কামালিতে নৌসেনাঘাঁটিতে।

গত কয়েকমাস ধরেই আর্থিক সঙ্কটে ধুঁকছে গোটা দেশ। মুদ্রাস্ফীতির জেরে বাড়ছে পেট্রোপণ্য সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। দেখা যাচ্ছে খাদ্য সঙ্কটও। জ্বালানির হাহাকারে কার্যত বন্ধ পরিবহণ। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবাদে পথে নামে সাধারণ মানুষ। সোমবারে রাজধানী কলম্বোয় কার্ফু উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছিলেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় দোকান, বাড়ি, সরকারি কার্যালয়ে। হামলা চালানো হয় সরকারপক্ষের এমপি এবং নেতাদের বাড়িতেও। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন। 

এদিকে, হিংসায় উস্কানি এবং সোমবার সংঘর্ষের ঘটনায় রাজপক্ষকে গ্রেফাতরের দাবি তুলেছেন বিরোধী দলের নেতারা। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন তারা।