স্মৃতির দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি , কমনওয়েলথ গেমসে পাক বধ ভারতের

স্মৃতির দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি , কমনওয়েলথ গেমসে পাক বধ ভারতের

আরোহী নিউজ ডেস্ক : ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সে যে ধরণের খেলাই হোক না কেন। আর ক্রিকেটের ময়দানে যদি ভারত-পাক দৈরথ হয় তাহলে তো কথাই নেই। এই ম্যাচে যে ফলাফল ভারতের পক্ষেই থাকবে তাতে কোনো সন্দেহ ছিল না । স্মৃতি মন্ধানা , রেনুকা ঠাকুর যে এভাবে দাপটের সাথে  ম্যাচ জেতাবেন সেটাও অবশ্য কেউই কল্পনা করেননি। পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফ টস  জিতে সিদ্ধান্ত  নিয়েছিলেন ব্যাটিং করার কিন্তু ম্যাচের শুরু থেকেই তাদের দমিয়ে রাখতে সফল হয়েছিল ভারতীয় বোলিং লাইন আপ।

 পাকিস্তানের  হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন ওপেনার ব্যাটসম্যান মুনিবা (৩২) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংখ্যা আলিয়া রিয়াজের (১৮)। মারুফের স্কোরও(১৭) পাকিস্তান কিছুটা সাহায্য করেছে তবে বাকিরা কেউই দুই সংখ্যা পেরোতে পারেননি। রাধা যাদব এবং স্নেহা রানা দুটি উইকেট পান এবং একটি করে উইকেট পান রেনুকা,শেফালী ও মেঘনা।

 পাকিস্তান ৯৯ রানে সবকটি উইকেট হারানোর পরে ভারতের হয়ে তেমন কোনো বাঁধা ছিল না । জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্থানের বোলারদের  নিয়ে প্রায় ছেলে খেলা করেন ওপেনার জুটি স্মৃতি মান্ধনা এবং শেফালি। ডায়ানা বেগ,আনাম, টুবাদের কাছে তেমন কোনো পথ জানা ছিল না ভারতীয় ক্রিকেটারদের আটকানোর। ১৬ রানে আউট হয়ে জান শেফালী তখন দলের রান ৬১। সহজেই অর্ধশত রান করে ফেলেন স্মৃতি। পাকিস্থানের বিরুদ্ধে দেখা গেলো এক অন্য স্মৃতি কে , ছন্দ ফিরে পেলেন ভারতীয় দলের সেরা ব্যাটসম্যান। হরমন নিজে না নেমে মেঘনাকে নামালেন তিন নম্বরে এবং আউট হলেন ১৪ করে । ক্রিকেটপ্রেমীরা বুঝে উঠতে পারেননি যে একেপেশে খেলা হবে ,মাঠের দুপাশে অবশ্য দুই দলেরই সমর্থকরা উপস্থিত ছিল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট দল বুঝিয়ে দিল তাদের সঙ্গে পাকিস্থানের তফাৎ ঠিক কতটা । এরপর বারবারডোজের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় মেয়েরা ।