‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ নিয়ে এবার নীতি আয়োগের বৈঠকে সরব হবেন মুখ্যমন্ত্রী

এই বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় নবান্নে

‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ নিয়ে এবার নীতি আয়োগের বৈঠকে সরব হবেন মুখ্যমন্ত্রী

আরোহী নিউজডেস্ক:  পাঁচদিনের সফরে দিল্লিতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তবে সূত্রের খবর, এবার নীতি আয়োগের পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০'  নিয়েই সরব হতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর,  এই বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয় নবান্নে। ওই বৈঠকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য,  সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান,  উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি-সহ একাধিক স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন বৈঠকে। সেই বৈঠকেই এই ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’-র খসরা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

এর আগেই জানা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির একাধিক অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে রাজ্যের। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ সরকার সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে পৃথক শিক্ষানীতি তৈরি করতে চায়। যদিও কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির একাধিক অংশ কার্যকরী না হলে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা সমস্যায় পড়বেন বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি রাজ্য পৃথক শিক্ষানীতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলেও বাকি অংশগুলি নিয়ে আপত্তি জানাবে। আর এই আপত্তির অংশগুলি নিয়ই নীতি আয়োগের পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে তুলে ধরতে চলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যে রয়েছে দশম ও দ্বাদশ এই দুটি ক্লাসকে একটি মাত্র বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া-সহ একাধিক সুপারিশ। স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষা নিয়েও একাধিক সুপারিশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে রাজ্যের। তাই সব মিলিয়ে রাজ্য পৃথকভাবে শিক্ষানীতি তৈরি করতে চাইলেও কেন্দ্রের শিক্ষানীতির কয়েকটি অংশ নীতিগতভাবে মেনে নিলেও বাকি অংশগুলি যে কার্যকরী করবে না নীতি আয়োগের পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে তা তুলে ধরতে পারেন মমতা।