স্বস্তি যাত্রীদের, করোনার জেরে ২ বছর বাতিল থাকা ৫০০ ট্রেন চলুর নির্দেশ

২০২০ সালের প্রথম থেকেই করোনা পরিস্থিতির অবনতি ও লকডাউনের জেরে ভারতে থমকে গিয়েছিল রেলের চাকা

স্বস্তি যাত্রীদের, করোনার জেরে ২ বছর বাতিল থাকা ৫০০ ট্রেন চলুর নির্দেশ

আরোহী নিউজ ডেস্ক: মাঝখানে কেটে গিয়েছে দুই দুটি বছর। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ কেঁড়ে নিয়েছে বহু প্রাণ। বিশ্বজোড়া লকডাউনে থমকে গিয়েছিল জনজীবন। ২০২০ সালের প্রথম থেকেই করোনা পরিস্থিতির অবনতি ও লকডাউনের জেরে ভারতে থমকে গিয়েছিল রেলের চাকা। প্রায় দেড় বছর পর ধীরে ধীরে পরিষেবা স্বাভাবিক হলেও করোনা পূর্ববর্তী সময়ের ৫০০টি যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধই ছিল। এবার বিভিন্ন রেল জোনকে সেই ট্রেনগুলির পরিষেবা চালু করার নির্দেশ দিল রেলবোর্ড। যা রেলযাত্রীদের কাছে সুখবরই বলা চলে।

করোনা পূর্ববর্তী সময়ে ভারতে প্রায় ২,৮০০টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে চলছে ২,৩০০ ট্রেন। সূত্রের খবর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্ধ থাকা ওই ৫০০ যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালু করার নির্দেশ এসেছে। এর মধ্যে ১০০টি দূরপাল্লার মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ৪০০টি স্বল্প দূরত্বদের ইন্টারসিটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ওই ১০০টি দূরপাল্লার ট্রেন দেশের প্রায় ৩০০ শহরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতো করোনা পূর্ববর্তী সময়ে। আর বাকি ৪০০টি ইন্টারসিটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলি ১৫০-র বেশি শহরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতো।

২০২০ সাল থেকে প্রায় দুই বছরের বেশি সময় এই ট্রেনগুলি বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছিলেন যাত্রীরা। ফলে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছিল, পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেনগুলি চলুর দাবিও উঠছিল। রেলমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই ট্রেনগুলি পুনরায় চালু হয়ে যাবে।

অপরদিকে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সম্প্রতি লোকসভায় জানিয়ে দিয়েছে এখনই দেশের গুরুত্বপূর্ণ রুটে বেসরকারি ট্রেন চালানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে আগামী কয়েক বছরে কয়েকটি বিশেষ রুটে ধাপে ধাপে ২০০টি বেসরকারি ট্রেন চলুর অনুমতি দেবে রেলমন্ত্রক। রেলমন্ত্রী লোকসভায় জানিয়েছেন, চলতি অর্থবর্ষে প্রায় ডজনখানেক বেসরকারি ট্রেন চালু হয়ে যাবে বিভিন্ন পর্যটন সাৰ্কিটে। তিনি আরও বলেন, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন লাভজনক রুটে আরও ১৫১টি বেসরকারি ট্রেনের অনুমতি দিতে পারে রেলমন্ত্রক। এই ব্যাপারে ধাপে ধাপে এগোতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার।