বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে কার্যত লণ্ডভণ্ড কেন্টাকি, মৃত ৭০-এরও বেশী

বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে কার্যত লণ্ডভণ্ড কেন্টাকি, মৃত ৭০-এরও বেশী

আরোহী নিউজ ডেস্ক :   বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে কার্যত লণ্ডভণ্ড কেন্টাকিতে কমপক্ষে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। উপড়ে গিয়েছে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি। উড়ে গিয়েছে বাড়ির ছাদ। ঝড়ের দাপটে উল্টে গিয়েছে ট্রেন, ট্রাক। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। বিঘ্ন ঘটেছে জল সরবরাহেও। ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সরানো হয়েছে দুর্গতদের।

শুক্রবার রাতে প্রবল গতিতে আমেরিকার কেন্টাকিতে আছড়ে পড়ে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় আগে থেকেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। নাগরিকদের উদ্দেশে বাড়িতে থাকার আবেদন জানানো হয়। আর সতর্কতামূলক প্রচারপর্বের মধ্যেই প্রবল গতিতে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আতঙ্কিত স্থানীয় মানুষজন জানিয়েছেন, ঝড়ের দাপট দেখে মনে হচ্ছিল যেন কানের সামনে জোরাল গতিতে ট্রেন চলছে। আর ঝড় আছড়ে পড়ার পর উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে উপড়ে দিয়েছে একের পর এক গাছ, ছাদ উড়িয়ে দিয়েছে প্রায় খড়কুটোর মতো। আর সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি-সব মিলিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে জেরবার অবস্থা কেন্টাকি জুড়ে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, কেন্টাকির মেফিল্ড সহ একাধিক জেলাও ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কার্যত লণ্ডভণ্ড। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে মেফিল্ডের মোমবাতি কারখানাতেই সবথেকে বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অন্যান্য জেলায় প্রায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার-ই ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করে সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।