চালকের কেবিনে মোদি! ভোটের মুখে গুজরাট পেল দেশের তৃতীয় 'বন্দে ভারত' ট্রেন

চালকের কেবিনে মোদি! ভোটের মুখে গুজরাট পেল দেশের তৃতীয় 'বন্দে ভারত' ট্রেন

আরোহী নিউজডেস্ক: মুম্বই-আহমেদাবাদ রুটে ছুটবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন। তবে তার এখনও ঢের দেরী। তবে তার আগেই এই রুটে চালু হয়ে গেল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সেমি হাইস্পিড ইঞ্জিনবিহীন বন্দে ভারত ট্রেন। উৎসবের আগেই গুজরাট পেল তৃতীয় প্রজন্মের বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সামনেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। ফলে একদা গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী তথা দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় বন্দে ভারত গুজরাটবাসীদের উপহার দিলেন।  শুক্রবার সকাল ১০ টায় সবুজ পতাকা উড়িয়ে ট্রেনটির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উদ্বোধনের পর গন্ধিনগর থেকে কালুপুর রেলওয়ে  স্টেশন পর্যন্ত এই ট্রেনের প্রথম যাত্রার সাক্ষীও থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে দেখা গেল চালকের কেবিনে।  গুজরাটের গান্ধিনগর ক্যাপিটাল স্টেশন থেকে মুম্বই সিএসটিএম পর্যন্ত যাত্রায় মোট সময় লাগবে সাড়ে ছয় ঘণ্টার কিছু বেশি। যাত্রাপথে বন্দে ভারতের স্টপেজ থাকবে আহমেদাবাদ, সুরাট ও ভদোদরা। এনিয়ে তৃতীয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হল ভারতে। ইতিপূর্বে নয়াদিল্লি থেকে মাতা বৈষ্ণব দেবী কাটরা এবং নয়াদিল্লি থেকে বারাণসী রেলপথে দুটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হয়েছিল। 

রেলপথে উড়ানের অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকা যাবে এই ট্রেনে। এছাড়াও ট্রেনের সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য অটোমেটিক ট্রেন প্রটেকশন সিস্টেম ব্যবস্থাও রয়েছে এই আধা-উচ্চ গতির স্বচালিত ট্রেনে। কিন্তু এই ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে সম্পূর্ন দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে। দেশের দুটি স্থানে সফলভাবে যাত্রা শুরুর পর এবার গুজরাটের মাটিতেও আত্মপ্রকাশ করল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্দে ভারত চালানো হয় ১৫৫ থেকে ১৬০ কিলোমিটার গতিতে।

ষোলো কোচ বিশিষ্ট এই ট্রেনটিতে মোট আসন রয়েছে ১১২৫টি। বায়ো ভ্যাকিউম টয়লেটের ব্যবস্থা যেমন রয়েছে, তেমনই সিসিটিভি ক্যামেরাও রয়েছে। এর পাশাপশি কোচ কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাও রয়েছে এই বিশেষ ট্রেনে। ১ লা অক্টোবর থেকেই বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সাধারণ চেয়ার কারে ভাড়া ১৩৯০ টাকা এবং এক্সিকিউটিভ ক্লাসের ভাড়া ২৫০০ টাকা।