চার পুরসভার নির্বাচনের ভবিষ্যত এখনও ধোঁয়াশায়! আদালতে ঝুলে রইল শুনানি

চার পুরসভার নির্বাচনের ভবিষ্যত এখনও ধোঁয়াশায়! আদালতে ঝুলে রইল শুনানি

আরোহী নিউজ ডেস্ক :  আগামী ২২ জানুয়ারি পুরভোট হবে কিনা তা নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। এদিন হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভোট হচ্ছে নাকি পিছিয়ে যাচ্ছে তাই নিয়ে এখনও জিইয়ে রইল ধোঁয়াশা। তবে রাজ্য বিপর্যয় পরিস্থিতি ঘোষণা না করলে কমিশন ভোট পিছতে পারবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে আদালতে।

মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য এদিন আবারও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার করছেন প্রচুর মানুষ নিয়ে। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর এত লোক জড়ো হলে করোনা আরও বাড়বে। এত কিছু ব্যবস্থার পরেও প্রচুর লোক একত্রে জড়ো হচ্ছে। এই বিষয়টি এদিন আদালতে তুলে ধরেন তিনি।

এই পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “কমিশন বলছে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে এটা করা যায় না। কে সঠিক বলছেন?” উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “এই মুহুর্তে ভোট পিছোতে কমিশন একাই পারে।” তবে পাল্টা কমিশনের আইনজীবী জয়ন্ত মিত্র বলেন, "দিন ঠিক করে রাজ্য। একবার দিন ঠিক হলে যাবতীয় দায়িত্ব কমিশনের হয়। কিন্তু সেটা নির্বাচন পরিচালনার জন্য। নির্বাচন বন্ধ করার দায়িত্ব কমিশনের নয়। একবার রাজ্য যদি দিন ঠিক করে কমিশন কি পারে সেটা বাতিল করতে? ফলে কমিশন রাজ্যের সঙ্গে একমত নয়"। কিন্তু যদি রাজ্য বিপর্যয় পরিস্থিতির ঘোষণা করে তবে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। 

অন্যদিকে, ভোট স্থগিত রাখার ক্ষেত্রে এদিনও কমিশনের কোর্টেই বল ঠেলেছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল ৷ তাঁর দাবি, ভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত একমাত্র কমিশনই নিতে পারে ৷ এছাড়াও রাজ্যের তরফে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট পৌরনিগমের মধ্যে আসানসোলে ৯৮ শতাংশ মানুষকেই টিকার প্রথম ডোজ এবং ৭২ শতাংশ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৷ চন্দননগরে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকাকরণের পরিসংখ্যান যথাক্রমে ৯৮ এবং ৯৫ শতাংশ ৷ আর শিলিগুড়ি ও বিধাননগরে ১০০শতাংশ বাসিন্দাকেই টিকার দু’টি ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে ৷