কংগ্রেস সভাপতি পদে কী উত্তর-দক্ষিণের লড়াই?

আগামী ১৭ অক্টোবর কংগ্রেসের সভাপতি পদের জন্য নির্বাচন

কংগ্রেস সভাপতি পদে কী উত্তর-দক্ষিণের লড়াই?

আরোহী নিউজডেস্ক: জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি কে হবেন? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। ঐতিহ্যবাহী কংগ্রেস সভাপতি পদের দৌড়ে অনেকের নামই সামনে আসছে। তবে এই পদে হতে পারে উত্তর ভারত বনাম দক্ষিণ ভারতের লড়াই। এমনটাই জল্পনা কংগ্রেসের অন্দরে। 

আগামী ১৭ অক্টোবর কংগ্রেসের সভাপতি পদের জন্য নির্বাচন। এই নির্বাচন ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা। তবে কংগ্রেসের একটা সূত্রের দাবি, এবার লড়াইয়ে মুখোমুখি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত এবং তিরুঅন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর। আর এই দুজন যদি সভাপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন, তবে কার্যত তা দাঁড়াবে উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের লড়াই। সূত্রের খবর, কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচনে অংশ নিতে রবিবারই শশী থারুরকে সম্মতি দিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। দীর্ঘ দুই দশক পর কংগ্রেস সভাপতি পদে গান্ধি পরিবারের কাউকে দেখতে না পাওয়ার সম্ভাবনাই জোড়ালো হচ্ছে। যদিও কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ কংগ্রেস সভাপতি পদে রাহুল গান্ধিকেই চাইছেন। কিন্তু জানা যাচ্ছে সভাপতি হওয়ার ব্যাপারে এখনও নিমরাজি রাহুল। 

গান্ধি পরিবারের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেই ১৯৯৮ সালে সীতারাম কেশরীর পর কংগ্রেস সভাপতি পদে গান্ধি পরিবারের একচ্ছত্র দাপট বিরোধীদের অভিযোগকে ইন্ধনই যুগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই নিয়ে প্রায় নিয়ম করেই কটাক্ষ করেন কংগ্রেসকে। এবার তার অবসান হতে পারে।  সনিয়া গান্ধির পর এই ঐতিহ্যবাহী এই পদে কে বসবেন সে নিয়েও রাজনৈতিক মহলের জল্পনা চলছে। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর রাহুল গান্ধি সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলে কংগ্রেস নেতৃত্বকে সেই বর্ষীয়ান সনিয়া গান্ধির শরণাপন্ন হতে হয়। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে সনিয়া গান্ধিকেও এই পর্বে খুব সক্রিয় দেখা যায়নি। তাই প্রশ্ন ওঠে, কংগ্রেসকে বিজেপির মত একটা রেজিমেন্টেড পার্টিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে কংগ্রেসের একজন পুরো সময়ের সভাপতি দরকার। কংগ্রেসের সেই মুখ কে হবে এনিয়ে রাজনৈতক মহলের জল্পনা ছিল তুঙ্গে।