তাঁর জন্য যুদ্ধবিরতি পর্যন্ত হয়েছিল! কীভাবে আফ্রিকার ‘আপনজন’ হয়ে ওঠেন পেলে
ইলেকট্রিক বাল্বের আবিষ্কর্তা টমাস এডিসন। তাঁর নামানুসারেই ডোনডিনহো ছেলের নাম রাখলেন। তবে সূক্ষ্ম অদলবদল করে ‘এডিসন’ বদলে করে দিলেন ‘এডসন’। এডসন আরান্তেস দি নাসিমেন্তো। ডাকনাম দেওয়া হয় ‘ডিকো’। বলা হচ্ছে ‘ক্ষণজন্মা’ পেলের কথা। যাঁর নামের পাশে তিন-তিনটে বিশ্বকাপ। অজস্র ট্রফি। অসংখ্য স্মৃতি। তিনি আফ্রিকার মাটিতে পা রাখলেই শুরু হত উৎসব। বিমানবন্দরে মানুষের ঢল। রাজপথজুড়ে অপেক্ষা। হাতে পতাকা… এসেছেন পেলে, ফুটবলের সম্রাট।
পঞ্চশের দশকের শেষভাগ, ষাটের দশকের শুরু। তখন আফ্রিকার নতুন করে জেগে ওঠার সময়। একের পর এক দেশ ঔপনিবেশিক শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীন হচ্ছে। নতুন পতাকা। নতুন জাতীয় সঙ্গীত। নতুন স্বপ্ন। স্বপ্নের সঙ্গী হয়েই বারবার আফ্রিকার মাটিতে পা রাখতেন ‘কালো হিরে’। সদ্য স্বাধীন দেশগুলো পেলে ও তাঁর ক্লাব সান্তোসকে আমন্ত্রণ জানাত প্রীতি ম্যাচ খেলতে। এমনকী ব্রাজিল দলের সঙ্গেও তিনি বহুবার আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সফর করতেন।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0
